সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল
ছাতকে সংবাদ সম্মেলন

শিশু বদর উদ্দিন হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি

  • আপলোড সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ১১:৪০:১৩ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০৬-০৩-২০২৬ ১১:৪০:১৩ অপরাহ্ন
শিশু বদর উদ্দিন হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি
স্টাফ রিপোর্টার :: ছাতকে মাদ্রাসা ছাত্র শিশু বদর উদ্দিন (১৩) হত্যাকা-ে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন তার স্বজনরা। শুক্রবার বিকেলে ছাতক প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান নিহতের পিতা আব্দুল হেকিম, মাতা হুসনা বেগম ও বড় ভাই সামসুদ্দিন। এ সময় বক্তব্য দেন নিহতের মামা ইসলাম উদ্দিনও। সংবাদ সম্মেলনে হুসনা বেগম জানান, তার ছেলে বদর উদ্দিন স্থানীয় জামেয়া ইসলামিয়া হাসনাবাদ মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। গত বছরের ১৫ নভেম্বর দুপুরে পাশের গ্রাম নয়া লম্বাহাটি মহিলা মাদ্রাসার ওয়াজ মাহফিলে যায় সে। রাত ৮টার মধ্যে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে করছখালী ব্রিজের ওপর বদরের সহপাঠী একই গ্রামের পারভেজকে দেখতে পেয়ে তার কাছে বদরের খোঁজ জানতে চান স্বজনরা। এ সময় পারভেজ পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ব্রিজের পূর্ব পাশে একটি ধানক্ষেতে গিয়ে বদর উদ্দিনকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় সঙ্গে থাকা পারভেজসহ একই গ্রামের সাব্বির ও আব্দুল আলিম ধানক্ষেত থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তারা। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় বদর উদ্দিনকে উদ্ধার করে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ হাসপাতালেই সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায় এবং পরদিন ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলে তারা দাফন স¤পন্ন করেন। পরিবারের দাবি, ঘটনার দুই দিন পর পারভেজ তাদের বাড়িতে এসে জানায়, গ্রামের সাব্বির ও আলিম উদ্দিন বদর উদ্দিনকে ধানক্ষেতে নিয়ে মারধর করতে দেখেছে সে। নিহতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ বারবার হয়রানি করে। পরে বাধ্য হয়ে তারা সুনামগঞ্জ আমলগ্রহণকারী আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-৭৮/২৬, ধারা ৩০২/৩৪)। সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, মামলার আসামি খাইরগাঁও গ্রামের আব্দুস শহীদের ছেলে সাব্বির, নুর আলমের ছেলে পারভেজ ও মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে আলিম উদ্দিন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেফতারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না। নিহতের পরিবার অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, বিশেষ করে ফাঁসি নিশ্চিত করার দাবি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স